নকল ও ভেজাল ওষুধ বন্ধে তাৎক্ষণিক অভিযান: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নকল ও ভেজাল ওষুধের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, ভেজালমুক্ত ও মানসম্পন্ন ওষুধ উৎপাদনের ক্ষেত্রে সরকার সব সময় কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ সরবরাহ ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতরা কোনোভাবেই রোগী মৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না। জীবন রক্ষাকারী ওষুধের মান নিয়ে কোনো আপোস করা হবে না। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর সর্বদা সজাগ রয়েছে। নকল ও ভেজাল ওষুধের সন্ধান পাওয়া মাত্রই তাৎক্ষণিক অভিযান চালানো হবে।

বুধবার নর্থ-সাউথ ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে মডেল ফার্মেসির উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মডেল ফার্মেসির গুরুত্ব তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, নকল ও ভেজাল ওষুধ উৎপাদনের কারণে অনেক কোম্পানি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ভেজাল ওষুধ বিক্রির দায়ে অনেক ফার্মেসির সনদ বাতিল করা হয়েছে। নকল ও ভেজাল বন্ধে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, স্বাধীনতার পর প্রায় দেড় দশক বাংলাদেশ ওষুধ আমদানি করতো। কিন্তু বর্তমানে নিজেদের চাহিদা পূরণ করে ১৫১ টি দেশে ওষুধ রপ্তানি করা হচ্ছে। গত ৯ বছর ধরে সরকারের অব্যাহত সহযাগিতার কারণে ওষুধখাতে গতি এসেছে। ওষুধ রপ্তানির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছে।

সম্প্রতি চুয়াডাঙ্গায় একটি বেসরকারি চক্ষু শিবিরে চিকিৎসা নিয়ে ২০ জনের চোখ হারানোর জন্য দায়ী ক্লিনিক বন্ধ করা হবে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এমন ঘটনা কখনো কাম্য নয়। এটি একটি অমানবিক কাজ। যারা আক্রান্ত হয়েছে, তারা সবাই নিরীহ ও দরিদ্র মানুষ। দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান, ওষুধ শিল্প সমিতির মহাসচিব এসএম শফিউজ্জামান, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল মোক্তাদির, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টির সদস্য এম এ হাসেম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. গিয়াস ইউ আহসান প্রমুখ বক্তব্য দেন।