জামদানি শাড়ি অনেকদিন ভালো রাখার জন্য একটু বিশেষ যত্নের প্রয়োজন। অনেকেই জানেন, আবার অনেকেই জানেন না কিভাবে সঠিক উপায়ে শখের শাড়ি যত্ন করতে হয়।
জামদানি প্রধানত দুই ধরনের হয়ে থাকে: সুতি ও হাফসিল্ক।

১. শাড়ি ব্যবহারের পর ভাঁজ করে অনেক দিন রেখে দিলে তা ভাঁজে ভাঁজে ফেটে যেতে পারে। আবার হ্যাঙ্গারে করে ঝুলিয়ে রাখলেও শাড়ি মাঝখানে ফেটে যায়। তাই জামদানি শাড়ি হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে বা ভাঁজ করে না রাখাই ভালো। এ ক্ষেত্রে থান কাপড় পেঁচিয়ে রাখার রোলগুলোয় জামদানি শাড়ি পেঁচিয়ে রেখে দিলে তা অনেকদিন পর্যন্ত ভালো থাকে।

তবে রোল করা শাড়িটি এমনভাবে রাখতে হবে, যেন অন্য কোনো কিছুর চাপের ওপর না পড়ে।

২. সুতি জামদানি গুলো হাতে ধোয়া গেলেও অনেক সময় ড্রাই ওয়াশ করালেই বেশি ভালো থাকে যদি কাজ এর ঘনত্ব বেশি হয়, তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে ড্রাই ওয়াশের পক্ষে না, সুতি জামদানি হোক বা হাফ সিল্ক এর-প্রতিটা জামদানি বিশেষ করে হাফসিল্কের জামদানি শাড়িগুলো ৩-৪ বার পরার পর কাঁটা করাতে পারলে বেশ ভালো।
একটি জামদানি ব্যবহার করার পর শাড়িটি একটু নরম হয়ে গেছে মনে হলে তাতিদের কাছে নিয়ে গেলেই কাঁটা করিয়ে দিবেন অথবা যেখান থেকে শাড়ি কিনেছেন, তারাও করে দিবেন।  ৩০০/৪০০ থেকে শুরু করে ১০০০ টাকার বিনিময়ে আপনার জামদানিটি আবার প্রান ফিরে পাবে। শাড়ির কন্ডিশনের উপর দাম র্নিভর করে। কাঁটা করানোর পরে আপনার জামদানি শাড়ি একদম নতুন হয়ে যাবে।
৩. জামদানি শাড়ি পরার পরে ঘামে অথবা বৃষ্টির পানি লাগলে বাসায় এসে ফ্যানের নিচে শুকিয়ে নিবেন।
৪. কাঠের আলমারি থেকে ষ্টীলের আলমারিতে জামদানি শাড়ি বেশী দিন ভাল থাকে।
৫. মাঝে মাঝে বিকেলের রোদে শাড়ি শুকাতে দিতে পারেন।

-নিশাত মাসফিকা