এখনো ক্রিকেট প্রেমীরা দানবীয় ব্যাটিং বলতে গেইলকেই বোঝে। টিভি খুলে বসে থাকে গেইলের খেলা দেথবে বলে। তাকে বাদ দেওয়ার কথা তো ভাবতেই পারে না। অথচ আইপিএল ১১তম আসরে এসে সেই সাহস দেখালো। বাতিলের খাতায় ফেলে দিল গেইলকে। প্রথম দিন কোন দল তাকে নিয়ে আগ্রহই দেখাই নি। দ্বিতীয় দিনে ভিত্তি মূলে দলে নিয়েছে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। বলতে গেলে শেবাগ নিজে তাকে দলে ভিড়িয়েছেন। কোন কাড়াকাড়ি করতে হয়নি তাকে নিতে।

প্রথম দিন গেইল অবিক্রিত থেকে যাওয়ার অবাক হয়েছে ভক্তরা। আর গেইলে পেয়েছেন কষ্ট। ক্রিকেটে কম তো দেখাননি তিনি। ফর্ম খারাপ বলে প্রশ্নও উঠেনি। তবে? বাঁধা কি শুধু তার বয়স। গেইল বুঝিয়ে দিলেন ওসব বয়স-টয়স কিছু না। তিনি যতদিন খেলবেন বোলারদের তছনছ করেই খেলবেন। তার প্রমাণ দিলেন আরও একবার। কৃতিত্ব দিলেন শেবাগকে। তার মূল্যায়ন করার কথাও জানিয়ে দিলেন সাফ।

সাকিবের দল হায়দরাবাদের বিপক্ষে অন্য দল রান তুলতে খাবি কেটেছে। অথচ গত বৃহস্পতিবার গেইল দেখিয়ে দিয়েছে কিভাবে সামলাতে হয় হায়দরাবাদকে। ম্যাচ শেষে পুরস্কার নিতে এসে হাতটা তুলে ধরলেন গেইল। বললেন, ‘ক্রিস গেইল নামটা ভুলে যাবেন না। কিছুটা সম্মান আমার প্রাপ্য।’

বিশ্বব্যাপী টি২০ ক্রিকেটের ফেরিওয়ালা এই ম্যাচে করেছেন ক্যারিয়ারের ২১ তম সেঞ্চুরি। আইপিএলে সেঞ্চুরি সংখ্যাটা নিয়ে গেছেন ছয়ে। তার বাহুর বল এখনো কমে যায়নি মনে করিয়ে দিয়ে গেইল বলেন, ‘অনেকেই ভেবেছিল আমার বয়স হয়ে গেছে। এখনো নতুন করে প্রমাণ করার কিছু নেই আমার। শুধু এটুকু বলব আমাকে দলে নিয়ে আইপিএল বাঁচিয়েছে বীরেন্দ্র শেবাগ।’

গেইল তার সেঞ্চুরিটা মেয়ের নামে উৎসর্গ করেন। বলেন, ‘কিছুদিন আগে শেবাগ বলেছিল গেইল যদি দুটো ম্যাচও জেতাতে পারে তার পেছনে খরচা করা টাকা উঠে যাবে। এই নিয়ে শেবাগের সঙ্গে এবার কথা বলতে হবে।’