এপিকটা অ্যাওয়ার্ডস ২০১৬ এর বিচারক হিসেবে অংশগ্রহণের জন্য ২০১৬ এর ডিসেম্বরে তাইওয়ানের রাজধানী তাইপেতে গিয়েছিলাম। চারদিনের অনুষ্ঠানের একদিন অর্ধবেলা আমার কাজ না থাকায় স্বভাবসুলভ হোটেল থেকে একা ‘Northern Coast Tour including Yehliu Park’ ট্রিপ নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। বৃষ্টির মধ্যেও ট্রিপ উপভোগ্য ছিলো। দুইটি স্পট ঘুরে। কোরাল আইলেন্ডে পৌঁছলাম। টিকেট কেটে ভিতরে গিয়ে দেখি বিভিন্ন আকারের কোরালের ছড়াছড়ি। পর্যটকদের জন্য খুব সুন্দর করে সাজানো। আমাদের গাইড একেকটি কোরালকে এক একটি প্রাণীর মতো দেখতে মজা করে বর্ণনা করছিলো। উল্লেখ করার মতো বিষয় ছিলো একটু পর পর সে তার হাতের হোইসেলটি বাজাচ্ছিলো। লক্ষ্য করলাম এই কাজটি সে করছে যখনই কেউ কোরাল ধরছে বা নির্দিষ্টি রেখা অতিক্রম করছে। তাছাড়াও লাল রং দিয়ে দাগ দেয়া আছে যার ভিতরে প্রবেশ করা নিষেধ। কোরাল যাতে নষ্ট না হয় তাই এই প্রচেষ্টা।

মনে মনে আফসোস করলাম – আমাদের সেন্ট মার্টিন কোরাল দ্বীপে যদি এই ব্যবস্থা থাকতো! আমরাও তো এই ধরণের ব্যবস্থায় আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করে পর্যটন থেকে আয় করতে পারতাম। এই পর্যটন শিল্প দিয়েই থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মালয়শিয়া এবং মালদ্বীপ-সহ প্রতিবেশী অনেক দেশ বহুদূর এগিয়ে গিয়েছে। শ্রীলংকা ইদানিং পর্যটকদের জন্য এশিয়ার এক নম্বর দেশে উন্নীত হয়েছে। আমরা কই?

এম রাশিদুল হাসান-এর স্ট্যাটাস থেকে

লেখক:
PP at Rotary e-Club Dhaka,
Director & CSO at Divine IT Limited and Managing Director & CEO at Systech Digital Limited