করলা অনেকের প্রিয় খাবার না হতে পারে কিন্তু এর পুষ্টিগুণ অনেক। যা আমরা অনেকেই জানি। করলা রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, লিভার পরিষ্কার করে, ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। করলার উপকারিতা পাওয়ার আরও একটি উপায় হল করলার চা পান করা।
জেনে নেওয়া যাক করলার চায়ের পুষ্টিগুণ:

১. রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ: প্রাচীনকাল থেকেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে করলার ব্যবহার হয়ে আসছে। করলার চা-ও এতে উপযোগী।

২. রক্তে কোলেস্টেরল কমাতে: এই চা রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

৩. লিভার পরিষ্কার রাখে: লিভার পরিষ্কার করতে সাহায্য করে, ফলে বদহজম রোধ করে।

৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে: এই চায়ে থাকা ভিটামিন সি যেকোনো ইনফেকশনের হাত থেকে রক্ষা করে ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
৫. দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে: করলা চায়ে থাকা ভিটামিন-এ চোখ ভালো রাখে।

করলার চা তৈরির পদ্ধতি:

কিছু পরিমাণ আগে থেকেই শুকনো বা তাজা করলার টুকরো নিন, সাথে পানি ও মিষ্টির জন্য মধু নিন। করলা গাছের পাতাও ব্যবহার করা যায়, তবে করলা সহজলভ্য তাই করলা ব্যবহার করুন।

পানি ফুটিয়ে নিন, তার মধ্যে শুকনো করলার টুকরো দিয়ে ১০ মিনিট মাঝারি আঁচে ফোটান যাতে করলার সমস্ত পুষ্টিদ্রব্য পানিতে মিশে যায়। আঁচ থেকে নামিয়ে আরও কিছুক্ষণ ঢেকে রাখুন।

এরপর কাপে চা ছেঁকে নিন এবং মিষ্টির জন্য মধু মেশান। আপনার করলার চা তৈরি। তবে রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রণে এই চা খেলে মিষ্টি ব্যবহার করবেন না।

হাইপোগ্লাইসেমিয়া রোগীর ক্ষেত্রে করলার কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। তাই করলার চা আপনার প্রতিদিনের ডায়েটে ব্যবহার করার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।