সানাইয়ের সুরে বাড়ীতে একটা ছোট বিয়ের আয়োজনে অফিসের সবাইকে বাড়ীতে আসতে বলে যখন তিতিরকে নিয়ে হাসপাতালে ছুটে যাচ্ছিলো আহমেদ চাচার জীপ, তখন ধীরস্থির ভাবে একমাত্র আল্লাহকে ডেকে যাচ্ছিলেন আহমেদ সাহেব! রাতুলের গাড়ী রাতুল চালাচ্ছে, একদম আঠার মতো লেগে আছে জীপের সাথে। ইউনাইটেড হসপিটালের ইমার্জেন্সি গেট দিয়ে ঢুকেই থামলো সবাই। তিতিরকে নামিয়ে স্ট্রেচারে করে ভেতরে নিয়ে গেলো। সাথে গেলো সুনন্দা। তিতিরের মা’য়ের চেয়েও সুনন্দাকেই সাথে পাঠানো শ্রেয় ভাবছিলেন আহমেদ সাহেব। পাঠালেনও তাই।

ডাক্তার সবকিছু দেখে শুনে বললেন ভয়ের কোন কারণ নেই। নার্ভাস ব্রেকডাউন!!!! সাথে অনাহারে দিন কাটানো। মেয়ের খাওয়ার ব্যবস্থা করতে গিয়েই নিজের এমন বেহাল দশা। মানতে কষ্ট হলেও সবার কাছ থেকে আড়াল করে রেখেছে তিতির। কাউকেই কিছু বলেনি। রানীর মা কিছুটা আন্দাজ করেই তিতিরের সেবা খাওয়া দাওয়া খেয়াল রাখতো। আহমেদ সাহেবও ব্যাপারটা বুঝেছিলেন। তাই বেশী করে খেয়াল রাখাচ্ছিলেন।

রাতুলের ফোন পেয়ে সুপ্রীতি আর অভির সাথে তন্ময় এসে দাঁড়িয়ে আছে। একটা অজানা আতংকে ঘাবড়ে গেছে তন্ময়। বুঝতে পারছেনা কি করবে বা কি করা উচিৎ! সুনন্দা এসে জানালো জ্ঞান ফিরেছে। তবে একটা তন্দ্রার ঘোর থাকবে আপাতত। এর মাঝেই একবার চাচা’র সাথে কথা বলতে চেয়েছে। চাচাও গেলেন ভেতরে। অল্পক্ষণ পরে বেরিয়ে এসে উনি তন্ময় কে যেতে বললেন ভেতরে।

কি করবে বুঝতে চেষ্টা করতে করতেই তন্ময় হেঁটে ঢুকে গেলো ভেতরে। বেডের পাশে দাঁড়িয়ে রইলো চুপ করে। তন্ময় অপেক্ষায় আছে তিতিরের চোখ খোলার। ডাকছেনা। ঘুমাচ্ছে মনে হচ্ছে। কতটা সময় দাঁড়ানো খেয়াল করেনি। তিতিরও আস্তে আস্তে চোখ মেলে তাকিয়ে দেখে খানিকটা ধাতস্থ হতে চেষ্টা করলো। তন্ময় কে একটু কাছে এসে শুনতে ইশারা করলো। তন্ময় পাশে এসে বেডের পাশের চেয়ারে বসে শুনতে চেষ্টা করলো। মুনিয়ার কথা জানতে চাইলো। দেখেছে কিনা? বললো দেখেছে! ভালই আছে। এবার তিতিরের গাল বেয়ে পানি পড়তে লাগলো। প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিলো এভাবে চাচা ওকে তন্ময়ের কাছে চাপিয়ে দিচ্ছে বলে। বড় চাচার ব্যাপারে সবসময় শ্রদ্ধা থাকায় ওনার কথার পিঠে কিছু বলতে সাহস পায়নি বিয়ের ব্যাপারে, তিতির। কিন্ত সাথে তন্ময়ের সাথেও কথা বলতে সাহস পায়নি, যদি তন্ময় কিছু খারাপ মেয়ে ভাবে তিতিরকে। আজকে একান্তে হাসপাতালে শুয়েই সেজন্য তন্ময়ের সাথেই কথা বলতে চাইলো আগে।

এতক্ষণ চুপ করে শুনছিলো তন্ময়। এবার তিতিরের হাতটা হাতের ওপর নিয়ে আলগা করে একটু চাপ দিলো। সেই চাপে তিতিরও বুঝতে পারলো, আছে নিখাদ আশ্বাস, আর আস্থা। ভালবাসা আছে কিনা সেটা পরে আস্তে আস্তে বোঝার অপেক্ষায় রইলো। তবে এখনকার স্পর্শে ভালবাসা শুধু না আছে এক অনাবিল নির্ভরতা। তিতিরের হাতে আবারও চাপ দিয়ে রেখেই ঘুমাতে বললো। চুলে বিলি কেটে দিচ্ছিলো খুব আস্তে আস্তে,যেন তিতির ঘুমিয়ে যায়। ওষুধের ঘোরেই হোক বা তন্ময়ের চুলে বিলি কাটাতেই হোক, কয়েক মিনিটেই তিতির গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে গেলো। আস্তে আস্তে তম্ময় বেরিয়ে এলো রুম থেকে।

সবাইকে বাসায় যেতে বললো। তিতিরের মা কাছে থাকার ইচ্ছে করছিলেন। আহমেদ চাচা আর তন্ময়ের “না” শোনার পরে আর উনি থাকার সাহস পেলেন না। সবাই একে একে চলে গেলে তন্ময় চিন্তা করতে থাকলো, তিতির নিজে কতটা আপন ভাবতে পারবে! তন্ময় তিতিরকে আগলে নিতে চাইছে, কিন্ত একতরফা চাইলেই তো হলো না! তিতিরকেও তো চাইতে হবে। জোর করে চাপিয়ে দেয়া সম্পর্কে তো ভালবাসা থাকে না, থাকে শুধুই একধরনের দায়নব্ধতা!!! তিতির যেন তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে ওঠে, এই কামনাই করতে থাকলো বেডের পাশের সোফায় বসে বসে।

ভোরের আলো ফুটতে দেখে তাকিয়ে দেখলো তিতির এখনও ঘুমে। ওয়াশরুম থেকে মুখ ধুয়ে ঘাড়ে গলায় পানি দিয়ে নিজেকে একটু ফ্রেশ করলো। বেরিয়ে এসে তিতিরকে দেখলো। ঘুম ভেঙে যাবে হয়তো বা। তাকিয়ে রইলো। একটা নিশ্চিত ঘুমে আচ্ছন্ন এই মায়াবতী মেয়েটা ওর বউ হবে। হয়তো কিছু ভুল করেছে জীবনে, তার প্রায়শ্চিত্ত দিতে দিতে নিজেকে এতটা ক্ষয়ে যেতে দিয়েছে, এখন সেখান থেকে আবারও ঘুরে দাঁড় করাতে হবে। তন্ময় মনে মনে ভাবলো, তিতিরকে সামাল দিতে হবে ওরই। মুনিয়ার জন্য হলেও ওকে ভাল থাকতে হবে। নানান কথা ভাবতে ভাবতে দরজার আওয়াজে ঘুরে তাকালো। ডাঃ আফসানাকে দেখে অবাকই হলো এত সকালে। মাত্র গোসল করে ভেজা চুলেই চলে আসার ডাক্তার একমাত্র আফসানাই আছে এই কালে। তিতিরের মাথায় আর কপালে হার রেখে একটু চেষ্টা করলো ঘুম ভাঙে কিনা দেখতে। তন্ময় জিজ্ঞেস করলো আজকে রিলিজ করবে কিনা। হ্যাঁ শুনে তন্ময় যেন খুব খুশী হলো। ডাক্তার এও বললো ওনাকে কয়েকদিন বাইরে কোথাও নিয়ে রাখেন। তাতে ভাল হবেন তাড়াতাড়ি। টেনশন কমে যাবে। ডাক্তারের কথায় ডিউটি নার্স ডিসচার্জ করার প্রসেস করতে গেলো। তন্ময় ড্রাইভার মানিককে গাড়ী নিয়ে আসতে বললো।

ঘন্টা খানেকের মধ্যেই তিতিরকে নিয়ে আহমেদ চাচার বাসায় যেতে রওনা হলো তন্ময় আর তিতির। অনেক দিনের অনাচার, অনাহার, মানসিক চাপ সবকিছু মিলিয়ে একটা দোলাচলে তিতিরের শরীর খারাপ হয়েছিলো। আর সাথে বাড়তি চাপ হুট করেই বিয়ের কথা।

এই প্রথম দুজন, শুধুই দু’জন গাড়ীতে। তিতির হাসপাতালের গেট দিয়ে বেরিয়ে আসতে জিজ্ঞেস করলো, সময় হবে কিনা কিছুক্ষণ! তন্ময় সাথে সাথেই বললো, সময় আছে অঢেল। তিতির একটু সময় বাইরে থাকতে চাইলো। কথা বলতে চাইলো। তন্ময় কফি খাবে কিনা জিজ্ঞেস করায় বললো যে না অন্য সময়। মুনিয়াকে দেখেনা অনেকক্ষণ। তাই তন্ময় আগে ভিডিও কলে আহমেদ চাচার বাসায় মুনিয়াকে দেখালো। নাশতা খেয়ে খেলে আবারও ঘুমিয়ে পড়েছে। দেখে কিছুটা আশ্বস্ত হলো তিতির।

হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে ডিওএইচএস এর ভেতর দিয়ে এসে র‍্যাডিসনের পেছন দিয়ে বের হলো তন্ময়। আবারও একবার জিজ্ঞেস করে তারপর দুজনেই র‍্যাডিসনেই বসতে গেলো। গাড়ী পার্ক করে তিতিরকে সাথে নিয়ে তন্ময় ভেতরে এসে একবারেই পুল সাইডে চলে গেলো। গাছের ছায়ায় হাল্কা বাতাসে দুপুর হতে যাওয়া রোদে বসতে খারাপ লাগছিলো না তিতিরের। তন্ময় জিজ্ঞেস করলো, একটা স্পা নেবে কিনা? তিতির লজ্জা পেলো। মানা করলো। দুজনেই ক্যাপুচিনো নিয়ে বসলো।

তন্ময় তিতিরের দিকে তাকালো, গভীর একটা দৃষ্টি নিয়ে। তিতির কিছু বলতে চাইছে, সংকোচ হচ্ছে বুঝতে পেরে তন্ময় চেয়ারটা একটু কাছে নিয়ে বসে তিতিরের হাতে হাত রেখে হাল্কা করে একটু চাপ দিলো।।হাতটা হাতে নিয়ে বললো, কিছু না বলতে। তিতির তবুও বলতে চাইলো কিছু। চোখ সরিয়ে নিয়ে পুলের ওপর দিয়ে আকাশের দিকে তাকালো।।একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললো, “আমাকে কি দয়া করে বিয়ে করতে চেয়েছেন?” প্রশ্নটার ব্যাপারে সামান্য প্রস্তুত ছিলো না তন্ময় তাই হকচকিয়ে গেলেও সামাল দিলো নিজেকে। বেশ রাগও হলো শুনে, তবুও তিতিরের মানসিক চাপ বুঝে রাগ করলো না। শুধু বললো যে, অবান্তর চিন্তা থেকে বের হয়ে আসতে। সরাসরি এবার চোখের দিকে তাকালো তন্ময়, বললো, “আমি তোমাকে ভালবাসি তিতির! ভালবাসলে দয়া করার কোন প্রশ্ন আসে না, আর তারচেয়েও বড় কথা, তিতির যে দয়া নেবার পাত্রী না সেটা ওর জানা আছে। তাই ভবিষ্যতে যেন এই সংকোচ বা বাজে চিন্তা আর না করে।” তিতিরের গাল বেয়ে পানি আসছিলো চোখ থেকে। তন্ময় আবারও হাতে চাপ দিয়ে বললো, কফিটা ঠান্ডা হয়ে যাবে, তাই খেতে খেতে কথা বলতে। কফির কাপটা হাতে নিয়ে ঠোঁটে ছোঁয়ালো, তার বললো, জীবনে অনেক বড় একটা পাপ করার কথা জেনে শুনে বুঝেও কেন তন্ময় ওকে বিয়ে করতে রাজী হলো? অবাক করে দিয়ে তন্ময় শুধু বললো, অতীত ভুলে গিয়ে মুনিয়ার ভবিষ্যৎ ভেবে, নিজের ভবিষ্যৎ ভেবে চলতে। আর তন্ময় কে আগলে রাখতে। তন্ময় তিতির আর মুনিয়া, দুজনকেই আগলে রাখবে সারাজীবন। শুধুই সামনে তাকিয়ে জীবনের কষ্টের দিনগুলোর কথা মন থেকে মুছে ফেলতে বললো। তিতির বড় হচ্ছে, ও জানতে চাইবে, বাবা’র কথা, তন্ময় সরাসরি বলে দিলো, মুনিয়ার কাছে বাবার পরিচয় সবসময়ই যেন তন্ময়ের নামটা জানানো হয়। সব দায়ভার, অবহেলা সবকিছুই যেন তন্ময়ের ঘাড়েই চাপানো হয়, কখনও যেন এর অন্যথা না করে তিতির। আর বিয়ের সবকিছুতে যত ছবিই তুলুক, তাতে কোথাও যেন মুনিয়ার ছবি না থাকে সেটা খেয়াল রাখবে তন্ময়। তাতে মুনিয়ার পরে ভুল বুঝাবুঝি কম হবে বড় হলে। বিয়েটাও খুবই ঘরোয়া ভাবে সেরে নেবে, তিতিরের শরীর খারাপের অজুহাতে। খুব অল্প কথায় তিতিরকে বোঝাতে পেরে তন্ময় বের হবে কিনা জানতে চাইলো। শেষ একটা কথা এবার তিতির জানতে প্রশ্ন করলো। তিতির যদি ভাল না বাসতে পারে তন্ময় কে, তাহলে কি করবে? তন্ময় শুধু বললো সেই অবস্থা হবে না। তিতিরই তন্ময় কে বেশী ভালবাসবে, সেই আস্থা তন্ময়ের আছে তিতিরের ওপর। কফিতে শেষ চুমুক দিয়ে, বিলটা দিয়ে ফিরে আসতেই তিতিরও উঠে দাঁড়ায়। হাল্কা মাথা ধরা আছে। তন্ময় ঠিক পাশে এসে গা ঘেঁষে দাঁড়ালো, যেন টাল সামলাতে পারে সহজেই। পড়ে যেতে পারে বুঝেই বাহুতে ধরে তন্ময় তিতিরকে নিয়ে আস্তে আস্তে হাঁটতে শুরু করলো। গাড়ীর ভেতরে এসে তিতির এবার একটু মাথাটা এলিয়ে দিলো। তন্ময় ঘুরে উঠে বসতেই দেখতে পেলো। খারাপ লাগছে কিনা জানতে চাইলে তিতির মানা করলো। খানিকক্ষণ তাকিয়ে থেকে তিতিরকে একবার তাকাতে বললো তন্ময়। বিয়ে নিয়ে কোন সংশয় বা দ্বিধা থাকলে যেন ও সরাসরি বলে। ব্যাপারটা সারাজীবনের। তাই ওকে কষ্ট পেতে দেখতে চায়না তন্ময়। প্রথমবারের মতো তিতির এবার এগিয়ে এসে ঘাড়টা হেলিয়ে দিলো তন্ময়ের কাছে। তন্ময় একটু হাসি দিলো। হাতটা আস্তে করে পেছনে নিয়ে বাহুতে ধরে হাল্কা করে একটু ছোঁয়া দিয়ে তিতিরকে আশ্বাস দিলো।

বাড়ীতে ঢুকেই তিতির মুনিয়ার খোঁজ নিলো। ঘরেই ছিলো। রানীর মা কোলে করে নিয়ে আসলো তিতিরের কাছে। তিতিরকে দেখে ঝাঁপিয়ে কোলে চলে আসলো। ঘাড়ে মাথা হেলিয়ে, মা’কে ছোট ছোট হাতে যতটা পারলো শক্ত করে ধরে রইলো। মা হয়ে তিতিরও মেয়েকে বুকে পেয়ে যেন অনেক শক্তি ফিরে পেলো।

মুনিয়াকে নিয়ে তিতির ঘরে গেলে, তন্ময় গেলো আহমেদ চাচার সাথে কথা বলতে। তিতিরের সাথে বিয়ের আয়োজন খুব সাধারণ ভাবে আর ঘরোয়া ভাবে করতে অনুরোধ করলো। ওর শরীর যেহেতু খারাপ, তাই বেশী চাপ না দিয়ে শুধু বিয়ে পড়িয়ে সারতে বললো। তারপর তিতিরকে নিজের ফ্ল্যাটে নিয়ে যাবে। চাচা সব শুনে রাজি হলেন। বুঝতে পেরেছেন ব্যাপারটা উনিও। তাই আপত্তি করেননি। তিতিরের মা’য়ের সাথেও কথা বললো তন্ময়। উনিও বুঝতে পারলেন। উনি অবশ্য একবার বললেন যে তিতিরকে নিয়ে তন্ময় যেন তিতিরের বাড়ীতে যায়। তন্ময় খুব শক্ত চেহারা করে, খুব হাল্কা করে জানিয়ে দিলো, সেটা হবার নয়। তিতিরের ভুল ওনারা ক্ষমা করেননি, তাই এখন লোকদেখানো এই আহ্লাদ তন্ময়ও মেনে নিতে পারবেনা।

চাচার সাথে কথা শেষ করে তিতিরের ঘরে গিয়ে বাইরে থেকে ডাক দিলো তন্ময়। তিতির ভেতরে আসতে বললেও, তন্ময় দরজায় দাঁড়িয়ে সব কিছু জানালো। মুনিয়াকে নিয়ে কাছে আসতেই ও কোলে উঠে আসতে চাইলো। তন্ময় কোলে নিয়ে আদর করে দিলো, আর তিতিরের মা’কে কি বলেছে সেটাও জানালো। তিতির তন্ময়ের এই কথায় মনে মনে অনেক শান্তি পেলো। অন্তত অপমানটা আবারও হতে হলো না। আর যেতেও হবে না বলে। মনে মনে তন্ময়কে আরও ভালবেসে ফেলতে লাগলো। ছোট ছোট এ-ই ব্যাপারগুলো আস্তে আস্তে তিতিরকে তন্ময়ের দিকে টানতে শুরু করেছে। অনেকটা যেন নির্ভরতা বেড়ে যাচ্ছে। শ্রদ্ধা বেড়ে যাচ্ছে। অনেক আগে করা প্রশ্নের উত্তর যেন তন্ময় এক এক করে কাজের মাধ্যমে দিয়ে ওকে আশ্বস্ত করছে।

তৌফিকুল করিম সুহৃদ

লেখক:
Director
Fingertips Innovations Ltd.